ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু-রোগী নভেম্বরে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯:১২, ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২০:১০, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা। ছবি: সংগৃহীত
এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও রোগীর সংখ্যায় রেকর্ড করলো নভেম্বর। মাসের শেষ দিন রবিবার পর্যন্ত মারা গেছে ৯৯ জন ও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৪ হাজার ৫৩০ জন।
এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় (রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে মারা গেছে পাঁচজন ও হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে ৬৩৬ জন।
এর আগে একক মাসের হিসাবে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছিল অক্টোবরে। সেপ্টেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ৭৬। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪১ জন ডেঙ্গুতে মারা যায় জুলাইতে।
অন্যদিকে, এর আগে একক মাসের হিসাবে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ রোগী ভর্তি হয়েছিল অক্টোরে ২২ হাজার ৫০ জন। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ সেপ্টেম্বরে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন।
এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেল ৩৮২ জন ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ৪০২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রবিবারের বুলেটিনে বলা হয়েছে, নতুন মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটির হাসপাতালে তিনজন, চট্টগ্রাম বিভাগে একজন ও খুলনা বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়।
এছাড়া এ বছর জুলাইয়ে ৪১ জন, আগস্টে ৩৯, জুনে ১৯, জানুয়ারিতে ১০, এপ্রিলে ৭, মে ও ফেব্রুয়ারিতে তিনজন করে ডেঙ্গু রোগী মারা যায়। মার্চ মাসে কেউ মারা যায়নি।
এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হজার ৭৭৩, জুনে ৫ হাজার ৯৫১, আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়।
এ বছর দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩টিতেই ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। ২০০০ সালে প্রথম ঢাকায় বড় আকারে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ওই বছর ৫ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে মারা যায় ৯৩ জন। এরপর থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত থাকে।
এরপর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ব্যাপক আকার নেয়। সে বছর আক্রান্ত হয় ৩ লাখের বেশি মানুষ ও মারা যায় ১ হাজার ৭০৫ জন। সেটাই ছিল দেশে সর্বোচ্চ রোগী ও মৃত্যুর ঘটনা।
এরপর ২০২৪ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।
