বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ভূমিকম্পের মাত্রা কত ছিল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১:২২, ২১ নভেম্বর ২০২৫
পৃথিবীর সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে অন্যতম হলো ভূমিকম্প। এটি খুব ক্ষণস্থায়ী হলেও প্রভাব ব্যাপক। সম্প্রতি মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি এবং বিশাল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ভূমিকম্প সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে এক বা দেড় মিনিট স্থায়ী হয়। খুব কম কিছু ক্ষেত্রে এটি ৮-১০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। অনেক সময় কম্পন এতই দুর্বল হয় যে তা অনুভূত হয় না। তবে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ঘর-বাড়ি ধ্বংস হয়, ধনসম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অসংখ্য প্রাণহানি ঘটে।
বাংলাদেশে ভূমিকম্প
বাংলাদেশেও ইতিহাসে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ১৯১৮ সালে সিলেট বিভাগের শ্রীমঙ্গলে ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত দেশে ১০০টিরও বেশি ভূমিকম্প রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে ৬৫টিরও বেশি সংঘটিত হয়েছে ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দের পরে। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সাম্প্রতিক কয়েক দশকে ভূমিকম্পের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভূমিকম্প কী?
ভূমির অভ্যন্তরে শিলায় সঞ্চিত শক্তি হঠাৎ মুক্তি পেলে ভূ-পৃষ্ঠে ক্ষণিকের জন্য কম্পন সৃষ্টি হয়। এই আকস্মিক এবং ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়। কম্পন-তরঙ্গ থেকে যে শক্তি তৈরি হয়, তা ভূমিকম্পের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
অধ্যাপক স্ট্রেলারের মতে, ভূত্বকের উপরে বা নিচে শিলাস্তরের স্থিতিশীলতা বা অভিকর্ষীয় ভারসাম্যের বিঘ্ন ঘটলে ভূপৃষ্ঠে যে আন্দোলন সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্প বলা হয়।
