রাজ পরিবারের মেগান–হ্যারি দাম্পত্যে নতুন টানাপোড়েন
বিচ্ছেদ হলে অর্ধেক সম্পদ হারাতে পারেন প্রিন্স হ্যারি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮:১৯, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ব্রিটেনের ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স—প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল—আবারও দাম্পত্য টানাপোড়েনের খবরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে। মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় তাদের সম্পর্কে নতুন করে বিচ্ছেদের গুঞ্জন উঠেছে। আর সত্যিই সম্পর্ক ভেঙে গেলে, প্রিন্স হ্যারিকে তার সম্পদের অর্ধেক পর্যন্ত হারাতে হতে পারে বলে দাবি সূত্রের।
◼ মন্টেসিটো বুকস্টোরে মেগানের ‘কান্না চেপে রাখা’—এ নিয়েই শুরু জল্পনা
সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটোর একটি বইয়ের দোকানে জনসমক্ষে উপস্থিত হয়েছিলেন মেগান মার্কেল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সে সময় তিনি কিছুটা “অতিমাত্রায় চাপগ্রস্ত” এবং “কান্না চেপে রাখার চেষ্টা করছেন”—এমন দৃশ্যই বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও উস্কে দিয়েছে।
◼ সন্তানের গোপনীয়তা নিয়ে দাম্পত্যে বিরোধ
রাডার অনলাউ জানিয়েছে, মূল বিরোধ তৈরি হয়েছে সন্তান আরচি ও লিলিবেটকে নিয়ে।
মেগান মার্কেল সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তাদের দুই সন্তানের মুখ আংশিক দেখা যায়। পরে ভিডিওটি তিনি সরিয়ে ফেললেও হ্যারি নাকি এতে ক্ষুব্ধ হন।
সূত্রের ভাষ্য— “যে গোপনীয়তার কারণে তারা যুক্তরাজ্য ছেড়েছিলেন, সেই নিয়মই ভেঙেছেন মেগান। হ্যারি জানেন, শৈশব থেকে স্পটলাইটের অভিজ্ঞতা কতটা কঠিন।”
অভিনয়ে ফেরত মেগানের ‘ব্যাকআপ প্ল্যান’?
কিছুদিন আগে মেগান আবারও অভিনয়ে ফিরেছেন—আসন্ন কমেডি ছবি ক্লোজ পার্সোনাল ফ্রেনৃডস এ একটি ক্যামিও চরিত্রে কাজ করেছেন তিনি।
ভেতরের খবর—এটাই নাকি তার আর্থিক স্বাধীনতার ‘ব্যাকআপ প্ল্যান’, যাতে পরিস্থিতি খারাপ হলে সম্পর্ক ভাঙার পথ সহজ থাকে।
সূত্র দাবি করেছে— “অভিনয়ে ফেরা তার নিজের জগতে ফিরে আসা, নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার উদ্যোগ।”
বিচ্ছেদ হলে হ্যারির সম্পদের অর্ধেক দাবি করতে পারেন মেগান
জিওটিভির–এ উদ্ধৃত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মেগান মার্কেল বিচ্ছেদ হলে হ্যারির সম্পদের অর্ধেক বা তার চেয়েও বেশি দাবি করতে পারেন।
সূত্রের বক্তব্য—“রাজপরিবার ছাড়ার পর যা কিছু তারা অর্জন করেছে, তার বড় অংশ মেগানের যোগাযোগ, পরিচিতি ও পরিকল্পনার সুফল। তাই বিচ্ছেদ হলে তিনি বলবেন—‘আমাদের যা কিছু আছে, তার সবই আমার কারণে।’”
তবুও বন্ধুত্বপূর্ণ—দাম্পত্য রক্ষার চেষ্টা করছে দম্পতি
এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ভাষায়— “ড্রামা, বিশৃঙ্খলা আর চাপে অভ্যস্ত হয়ে গেছে তারা। এ বিশৃঙ্খলাই যেন দু’জনকে একসাথে বেঁধে রাখছে।”
অর্থাৎ, বিতর্কের ঝড় থাকলেও হ্যারি–মেগান দম্পতির সম্পর্ক ‘শেষ শব্দে’ পৌঁছায়নি।
