শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

| ১৫ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

১৯ দেশের গ্রিন কার্ডধারীদের পুনর্তদন্ত শুরু ট্রাম্প প্রশাসনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩:২৩, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

১৯ দেশের গ্রিন কার্ডধারীদের পুনর্তদন্ত শুরু ট্রাম্প প্রশাসনের

১৯ দেশের গ্রিন কার্ডধারীদের পুনর্তদন্ত শুরু ট্রাম্প প্রশাসনের। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যে প্রদান করা গ্রিন কার্ডগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে—এমন কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। বিশেষ করে ১৯টি ‘উদ্বেগজনক’দেশের গ্রিন কার্ডধারীরা পড়ছেন এই নতুন যাচাই–বাছাইয়ের আওতায়। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন দপ্তরের (ইউসিআইএস) প্রধান জোসেফ এডলো জানিয়েছেন—রাষ্ট্রপতির নির্দেশে শুরু হচ্ছে “পূর্ণমাত্রায়, কঠোর পুনর্তদন্ত”।

বিবিসি জানিয়েছে, ইউসিআইএস ট্রাম্প প্রশাসনের একটি পূর্ব ঘোষণাকে (গত জুনের প্রেসিডেন্সিয়াল প্রোক্লেমেশন) রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছে। ওই তালিকায় রয়েছে—আফগানিস্তান, কিউবা, হাইতি, ইরান, সোমালিয়া, ভেনেজুয়েলা, বার্মা (মিয়ানমার), চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লিবিয়া—সহ মোট ১৯টি দেশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব দেশ থেকে ভ্রমণকারী বা অভিবাসীদের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, ভিসা ওভারস্টে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার ওয়াশিংটনে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করার ঘটনায় গুরুতর আহত হন তারা। অভিযুক্ত আফগান নাগরিক রহমানউল্লাহ লাখানওয়াল ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যান—তখনকার বিশেষ মানবিক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায়।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনাকে “জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন—“আগের প্রশাসন ২ কোটি অজানা ও অযাচাইকৃত মানুষকে দেশে ঢুকতে দিয়েছে, যা একটি রাষ্ট্র কখনোই সহ্য করতে পারে না।”

ট্রাম্পের এ মন্তব্যের পরই ইউসিআইএস প্রধান জোসেফ এডলো ঘোষণা করেন গ্রিন কার্ড পুনর্তদন্তের উদ্যোগ।
এডলো তার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “দেশের নিরাপত্তাই সর্বাগ্রে। আগের প্রশাসনের অপরিকল্পিত পুনর্বাসন নীতির খরচ জনসাধারণকে আর বহন করতে দেওয়া হবে না।”

যদিও তিনি সরাসরি ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক হামলাকে উল্লেখ করেননি, তবে নতুন সিদ্ধান্তের পেছনে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগই মুখ্য বলে বিশ্লেষণ।

কেন এই পুনর্তদন্ত?

জুনের প্রোক্লেমেশন অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে—কিছু দেশে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর প্রভাব রয়েছে,পাসপোর্ট ও নাগরিকত্ব নথিপত্র যাচাই প্রক্রিয়া দুর্বল,উপযুক্ত স্ক্রিনিং বা ভেটিং ব্যবস্থা নেই এবং ভিসা ওভারস্টে হার বেশি।

আফগানিস্তান সম্পর্কে বলা হয়—তালেবান দেশটিকে নিয়ন্ত্রণ করায় সেটিকে “উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই ঘোষণার ঠিক এক সপ্তাহ আগে ইউসিআইএস জানায়—বাইডেন প্রশাসনের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পাওয়া সব শরণার্থীদের পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।

আর বুধবার থেকে আফগান নাগরিকদের সব অভিবাসন আবেদন সাময়িক স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র—নতুন নিরাপত্তা মূল্যায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ:

খালেদা জিয়ার অবস্থা বিদেশ নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয় : ফখরুল
তারেক রহমানের ফেরা নিয়ে সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিব
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাল থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু
ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন দিতে ব্যর্থ রাজনীতি: জামায়াত আমির
অবস্থার উন্নতি হলে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি
ই-রিটার্নে রেকর্ড: ২০ লাখের বেশি রিটার্ন দাখিল
খেলাপি ঋণ সংকট কাটাতে ১০ বছর লাগবে: গভর্নর
ফ্লাই করার মতো অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া—এভারকেয়ার থেকে জানালেন মান্না
এভারকেয়ার হাসপাতালে ভিড় না করার অনুরোধ বিএনপির
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
খালেদা জিয়াকে সিঙ্গাপুর বা ইউরোপে নিতে এয়ারঅ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত
খালেদা জিয়াকে নিয়ে মুশফিকুলের আবেগঘণ স্মৃতিচারণ ‘আমার ব্যক্তিগত ঋণ’
‘লুটপাটকারীদের শাস্তি দিন, কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বেকারত্ব বাড়াবেন না’ — মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
খালেদা জিয়ার অবনতিশীল শারীরিক অবস্থায় রাষ্ট্রপতির গভীর উদ্বেগ
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় উপদেষ্টার পরিষদের সভায় দোয়া
তফসিল কবে জানালেন সিইসি নাসির উদ্দিন
দুটি বিতর্কিত অভিযানের পর র‍্যাব-১৫–এ ‘গণবদলি’
বেগম জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনন্য অনুপ্রেরণা: নাহিদ ইসলামের বিবৃতি
দেশে ফেরার বিষয়ে কথা বললেন তারেক রহমান