শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

| ১৫ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

ট্রাভেল এজেন্সি বিরোধী ধারা বাতিলের দাবি আটাবের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩:৩৪, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

ট্রাভেল এজেন্সি বিরোধী ধারা বাতিলের দাবি আটাবের

ট্রাভেল এজেন্সি বিরোধী ধারা বাতিলের দাবি আটাবের। ছবি: সমাজকাল

ট্রাভেল এজেন্সি খাতের স্বার্থবিরোধী ধারা বাতিলের দাবিতে আটাব সদস্যরা গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে। বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সি খাতের স্বার্থবিরোধী কয়েকটি ধারা বাতিল, ট্রাভেল এজেন্টদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশ ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে ‘আটাব সাধারণ সদস্যবৃন্দ’। 

রবিববার (২৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর জোনাকি কনভেনশন হলে আটাব সাধারণ সদস্যদের উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিপুল সংখ্যক ট্রাভেল এজেন্সি মালিক অংশগ্রহণ করেন। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় গড়ে ওঠা বিভিন্ন সিন্ডিকেট বন্ধ করতে সরকারকে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। তবে এসব আইন যেন সাধারণ ব্যবসায়ীদের ক্ষতির কারণ না হয়। 

প্রতিবাদ সমাবেশ ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, নির্বাচিত আটাব কমিটির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই বাতিল না করা হলে ব্যবসাবান্ধব নয়-এমন ধারা আইনে যুক্ত হতো না। সমাবেশ থেকে বিতর্কিত ধারা প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়। 

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইমামুদ্দিন, দিদারুল হক, তোহায়া চৌধুরী, লায়ন নুরুল আলম, মহসিন, সানি, সুমন টিপু, গাজী সালাউদ্দিন প্রমুখ। গণস্বাক্ষর কর্মসূচির মাধ্যমে সংগৃহীত স্বাক্ষরসমূহ সোমবার প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপির সাথে সংযুক্ত করে প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

আটাবের সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ বলেন, এই খসড়া আইনে কিছু ধারা রয়েছে যা দেশের ট্রাভেল ট্রেডের জন্য চরম ক্ষতিকর। বিশেষ করে অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ১০ লক্ষ টাকা জামানতের প্রস্তাব, এক এজেন্সির সাথে অন্য এজেন্সির ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা, এবং জেল-জরিমানা বৃদ্ধির প্রস্তাব-সবকিছুই অযৌক্তিক, অবাস্তব ও ব্যবসাবান্ধব নয়। 

আটাবের সাবেক মহাসচিব মিসেস আফসিয়া জান্নাত ক্ষোভ প্রকাশ বলেন, আটাবের কমিটি বাতিল করে সংগঠনকে দুর্বল করার একটি সিন্ডিকেট-চালিত নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। এটি পুরো ট্রাভেল শিল্পের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সমাবেশ থেকে তিনটি দাবি উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে-

১. অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সিদের জন্য ১০ লক্ষ টাকা জামানতের প্রস্তাব বাতিল ও এটি ক্ষুদ্র-মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবসা থেকে সরিয়ে দেবে। 

২. এজেন্সি-টু-এজেন্সি টিকেট ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধের বিধান প্রত্যাহার, কারণ এটি যাত্রী সেবা ব্যহত করবে ও ছোট এজেন্সিদের কর্মহীন করবে ও পুরো ট্রেডকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে। 

৩.অতিরিক্ত জেল ও জরিমানা বৃদ্ধির ধারা বাতিল করে পূর্বের বিধান বহাল রাখা এবং অপ্রয়োজনে হয়রানি ও প্রশাসনিক চাপ বৃদ্ধি করবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ:

তারেক রহমানের ফেরা নিয়ে সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিব
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাল থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু
ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন দিতে ব্যর্থ রাজনীতি: জামায়াত আমির
অবস্থার উন্নতি হলে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি
ই-রিটার্নে রেকর্ড: ২০ লাখের বেশি রিটার্ন দাখিল
খেলাপি ঋণ সংকট কাটাতে ১০ বছর লাগবে: গভর্নর
ফ্লাই করার মতো অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া—এভারকেয়ার থেকে জানালেন মান্না
এভারকেয়ার হাসপাতালে ভিড় না করার অনুরোধ বিএনপির
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
খালেদা জিয়াকে সিঙ্গাপুর বা ইউরোপে নিতে এয়ারঅ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত
খালেদা জিয়াকে নিয়ে মুশফিকুলের আবেগঘণ স্মৃতিচারণ ‘আমার ব্যক্তিগত ঋণ’
‘লুটপাটকারীদের শাস্তি দিন, কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বেকারত্ব বাড়াবেন না’ — মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
খালেদা জিয়ার অবনতিশীল শারীরিক অবস্থায় রাষ্ট্রপতির গভীর উদ্বেগ
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় উপদেষ্টার পরিষদের সভায় দোয়া
তফসিল কবে জানালেন সিইসি নাসির উদ্দিন
দুটি বিতর্কিত অভিযানের পর র‍্যাব-১৫–এ ‘গণবদলি’
বেগম জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনন্য অনুপ্রেরণা: নাহিদ ইসলামের বিবৃতি
দেশে ফেরার বিষয়ে কথা বললেন তারেক রহমান
ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে