১ ডিসেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে রাতে থাকা যাবে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮:০৩, ২২ নভেম্বর ২০২৫
পর্যটকরা আবারও বঙ্গোপসাগরের নীলজলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে / ফাইল ছবি
পর্যটকরা আবারও বঙ্গোপসাগরের নীলজলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে কক্সবাজার থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে। এবার রাতে থাকার সুযোগ থাকায় দ্বীপে পর্যটকরা এক বা একাধিক রাত কাটাতে পারবেন। তবে দৈনিক দুই হাজারের বেশি পর্যটক দ্বীপে প্রবেশ করতে পারবেন না।
জাহাজ চলাচল কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে শুরু হবে। সকাল সাতটায় জাহাজ ছাড়বে এবং পরের দিন বেলা তিনটায় সেন্ট মার্টিন থেকে কক্সবাজারে ফিরে আসবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা দুই মাস পর্যটকদের জন্য সাতটি জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আগামী ডিসেম্বরের আগে সরকারি প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে ১ নভেম্বর থেকে দ্বীপে ভ্রমণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে রাতে থাকার ব্যবস্থা না থাকায় নভেম্বর মাসে কোনো পর্যটক ভ্রমণে যাননি এবং জাহাজ চলাচলও বন্ধ ছিল।
‘সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম জানিয়েছেন, ১ ডিসেম্বর থেকে রাত যাপনের সুবিধা থাকায় পর্যটকেরা দ্বীপ ভ্রমণে আগ্রহী।
কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিনের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। জাহাজে যেতে সময় লাগে ৬–৭ ঘণ্টা। চলাচলকারী জাহাজগুলো হলো—এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বারো আউলিয়া, এমভি বে ক্রুজ, এমভি কাজল, কেয়ারী সিন্দাবাদ, কেয়ারী ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন ও আটলান্টিক ক্রুজ।
সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্ট মার্টিনে কোনো নৌযান চলাচল করতে পারবে না। পর্যটকদের অবশ্যই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েবপোর্টাল থেকে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে। প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকবে; কিউআর কোড ছাড়া টিকিট নকল হিসেবে গণ্য হবে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহবুব পাশা জানিয়েছেন, দুই হাজারের বেশি পর্যটক একই দিনে দ্বীপে যেতে পারবেন না। তাই নুনিয়ারছড়া ও সেন্ট মার্টিন জেটিঘাটে পৃথক তল্লাশির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
