ইতিহাসের এই দিনে যাঁরা জন্মেছিলেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা
সমাজকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮:২৪, ৬ নভেম্বর ২০২৫
অ্যাডলফ স্যাক্স
সুলতান সুলায়মান দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট (১৪৯৪)
উসমানীয় সাম্রাজ্যের সর্বাধিক সময়ব্যাপী শাসনকারী এই সম্রাট কেবল তলোয়ারেই নয়, রাজনীতি ও সংস্কৃতিতেও ছিলেন অসামান্য। সুলায়মান প্রথম তাঁর প্রশাসনিক সংস্কার, কূটনৈতিক দক্ষতা ও স্থাপত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় ইউরোপ–এশিয়ার ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
অ্যাডলফ স্যাক্স (১৮১৪)
বেলজীয়-ফরাসি যন্ত্রপ্রকৌশলী, যিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন স্যাক্সোফোন। সংগীতের ইতিহাসে তাঁর এই অবদান আজও অমূল্য।
আরমান্ড ফালিয়েরেস (১৮৪১)
ফরাসি প্রজাতন্ত্রের নবম রাষ্ট্রপতি, যিনি বিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে ফ্রান্সকে আধুনিক রাজনীতির পথে নিয়ে যান।
চার্লস ডও (১৮৫১)
‘ডও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা এই মার্কিন সাংবাদিক ও অর্থনীতিবিদ আধুনিক পুঁজিবাজার বিশ্লেষণের ভিত্তি গড়ে দেন।
বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৭০–১৮৯৯)
ঠাকুর পরিবারের প্রতিভাবান সদস্য, কবি ও প্রাবন্ধিক বলেন্দ্রনাথ সাহিত্য ও সমাজচিন্তায় নতুন দৃষ্টিকোণ এনেছিলেন।
জেমস জোনস (১৯২১)
মার্কিন সৈনিক, সাংবাদিক ও লেখক। তার উপন্যাস From Here to Eternity যুদ্ধোত্তর প্রজন্মের মনোজগৎকে নাড়া দিয়েছিল।
হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯২৬–২০১৩)
বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের প্রিয় মুখ। গণদেবতা থেকে হীরের আংটি, চরিত্রাভিনয়ে তিনি ছিলেন এক অনন্য নাম।
ফ্রাঁসোয়া অ্যাংলার্ট (১৯৩২)
নোবেলজয়ী বেলজীয় পদার্থবিদ, হিগস বোসন কণার সহ-আবিষ্কর্তা। তাঁর গবেষণা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে বিপ্লব এনেছে।
অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৩৪–২০১৯)
সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এই বাঙালি কথাসাহিত্যিক নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে উপন্যাসে মানবিক মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে অনন্যভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
আলী যাকের (১৯৪৪–২০২০)
বাংলাদেশের মঞ্চ ও টেলিভিশনের কিংবদন্তি অভিনেতা। বহুব্রীহি, আজ রবিবার—সবখানেই তাঁর উপস্থিতি শিল্পমানকে এক ধাপ ওপরে তুলেছিল।
থান্ডি নিউটন (১৯৭২)
ব্রিটিশ অভিনেত্রী ও গায়িকা; Crash ও Westworld-এ অভিনয়ের জন্য বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন।
আনা ইভানোভিচ (১৯৮৭)
সার্বীয় টেনিস তারকা, ২০০৮ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেন জয় করে বিশ্ব র্যাংকিং-এর এক নম্বরে পৌঁছেছিলেন।
এমা স্টোন (১৯৮৮)
অস্কারজয়ী মার্কিন অভিনেত্রী, La La Land-এ তাঁর অভিনয় এখনো দর্শকদের মনে উজ্জ্বল।
আন্দ্রে শুর্লে (১৯৯০)
জার্মান ফুটবলার; ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল অ্যাসিস্ট দিয়ে জার্মানিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে সহায়তা করেন।
আজকের বিশেষ স্মরণ
এই দিনে জন্ম নেওয়া সবাই তাদের কর্মগুণে ইতিহাসে চিহ্ন রেখে গেছেন—কেউ রাজনীতিতে, কেউ বিজ্ঞানে, কেউবা সাহিত্য-সংগীতে। তাঁদের সৃজনশীলতা ও আত্মনিবেদনের স্মরণে সমাজকাল জানায় শ্রদ্ধা।
