নোয়াখালী এক্সপ্রেসে শ্রীলঙ্কান কুশল মেন্ডিস
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫:৫৫, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
শ্রীলঙ্কার তারকা উইকেটরক্ষক ব্যাটার কুশল মেন্ডিস। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরকে সামনে রেখে দল গোছানো শুরু করেছে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিলামের আগেই দলটি বড় চমক দিয়েছে—প্রথম বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে দলে ভিড়িয়েছে শ্রীলঙ্কার তারকা উইকেটরক্ষক ব্যাটার কুশল মেন্ডিসকে।
ফেসবুকে এক ঘোষণায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান দেশ ট্রাভেলস। পিএসএল, আইপিএল, এলপিএল ও এসএ-টোয়েন্টিতে নিয়মিত খেলা মেন্ডিস এবার প্রথমবার বিপিএল মঞ্চে নামতে যাচ্ছেন।
বিপিএলে সিলেট টাইটান্সে খেলার আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের সমঝোতা হয়নি। ক্রিকেট অঙ্গনে গুঞ্জন, মেন্ডিস সিলেটের কাছে ১ লাখ ৮০ হাজার ডলার চেয়েছিলেন। তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় শ্রীলঙ্কান উইকেটরক্ষক ব্যাটারের ঠিকানা বদলে যায় নোয়াখালীতে। সেখানে দুই পক্ষের আলোচনায় দ্রুতই সমঝোতা হয়।
নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের এটি প্রথম মৌসুম। আর প্রথম বিদেশি নির্বাচনেই তারা দলে টানল আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এক ব্যাটারকে। টি-টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক আগ্রাসী ব্যাটিং, পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত রান তুলতে পারা এবং ব্যাকআপ উইকেটকিপারের ভূমিকা—সব মিলিয়ে মেন্ডিসকে ঘিরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রত্যাশা বেশ উঁচু।
গভর্নিং কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী নিলামের আগে দুজন দেশি ক্রিকেটারকে সরাসরি দলে নেওয়ার সুযোগ থাকে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলে নিয়েছে সৌম্য সরকার ও হাসান মাহমুদকে।
গত আসরে রংপুরের হয়ে খেলা সৌম্য সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে চমৎকার ফর্মে আছেন। ওয়ানডে দলে নিয়মিত রানও করছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। অন্যদিকে জাতীয় দলের নিয়মিত পেসার হাসান মাহমুদ দলে এনে শক্তিশালী করেছে নোয়াখালীর পেস ইউনিট।
দলটির প্রধান কোচ হিসেবে থাকছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিটি প্রতিযোগিতামূলক দল গঠনের চেষ্টা করছে। মেন্ডিসকে দলে নেওয়ার মাধ্যমে শক্তিশালী সূচনা হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পরিকল্পনা।
বিপিএলের নিলাম সামনে রেখে আরো চমক আসতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকে।
বিপিএল ২০২৫-২৬ মৌসুমে নোয়াখালী এক্সপ্রেস কি নতুন পাওয়ারহাউস হয়ে উঠবে? সমর্থকের চোখ এখন তাদের পরবর্তী চুক্তিগুলোর দিকে।
