রেল ও নৌপথে ২০% পণ্য পরিবহন বাড়ানোর তাগিদ উপদেষ্টার
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ২২:০১, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২৩:৫৬, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
রেল, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। ছবি: সংগৃহীত
রেল, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান সড়কের ওপর চাপ কমাতে রেল ও নৌপথে আরও ২০ শতাংশ যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রেল ও নৌপথে আরও অন্তত ২০ শতাংশ যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বাড়াতে হবে। অন্যথায়, মহাসড়কগুলো ৮ কিংবা ১০ লেনের করলেও কাঙ্খিত ফলোদয় হবে না।
তিনি আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদের সড়ক ভবনে সড়ক ও রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
রেল, সড়কে ও বড় বড় সেতু নির্মাণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট এবং ভয়ঙ্কর দুর্নীতি হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এখন থেকে আর জনগুরুত্বহীন ও ফরমায়েশি প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। পদ্মা সেতু নির্মাণ এবং চট্টগ্রাম -কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে আমরা এখন সেই দুর্নীতি থেকে সরে আসছি। এসব আর হতে দেওয়া চলবে না।
তিনি বলেন, আমরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাখিল করা প্রস্তাব অনুসারে, যোগাযোগ খাতে মাল্টিমডেল নীতি অনুসরণ করব। সড়ক, রেল ও নৌপথে সমন্বিত গুরুত্ব দেব। আমরা সড়ক ৮ লেন করব। পাশাপাশি রেল ও নদীপথকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
আওয়ামী লীগের সময়ে ফরমায়েশি সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান কিশোরগঞ্জের ইটনা-মিঠামইন সড়কের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ফরমায়েশ অনুযায়ী ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ওই সড়ক নির্মাণ করা হয়। যেখানে কিছু টেম্পু ছাড়া আর কোন যানবাহন চলে না। অথচ এই অপরিকল্পিত সড়ক নির্মাণের ফলে পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য ধ্বংস হয়েছে, বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এমনতর ফরমায়েশি সড়ক আর হবে না। বরং, ট্রাফিক বিবেচনা করে সড়ক নির্মাণ করা হবে। এ ব্যাপার সড়ক বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণের বিষয়ে বলেন, সেতু নির্মাণকাজের প্রক্রিয়া চলমান। তার আগে নদীশাসন করে কালুরঘাট সেতু করতে চাচ্ছি। আশা করি, ভালো একটা কিছু হবে।
