শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

| ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩৯ বাংলাদেশি ফেরত, অধিকাংশই নোয়াখালীর

সমাজকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪:৩৯, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১৬:৪৪, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩৯ বাংলাদেশি ফেরত, অধিকাংশই নোয়াখালীর

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ব্র্যাক ফেরত শ্রমিকদের পরিবহনসহ জরুরি সহায়তা প্রদান করে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ব্র্যাক ফেরত শ্রমিকদের পরিবহনসহ জরুরি সহায়তা প্রদান করে।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ সামরিক বিমানে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।

ফেরত আসা এই কর্মীদের মধ্যে ২৬ জনই নোয়াখালীর। এছাড়া কুমিল্লা, সিলেট, ফেনী, ও লক্ষ্মীপুরের দুজন করে এবং চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ এবং নরসিংদীর একজন করে রয়েছেন। এর আগে চলতি বছরে ১৮৭ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন।

দেশে ফেরত আসা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানিয়েছে, এই ৩৯ জনের মধ্যে অন্তত ৩৪ জন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ বুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিল গিয়েছিলেন। এরপর সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আর বাকি পাঁচজনের মধ্যে দুইজন সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে যান আর তিনজন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। এরপর এই ৩৯ জন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য আবেদন করলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বলেন, এই যে সরকারের পক্ষ থেকে ব্রাজিলে বৈধভাবে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হলো সেক্ষেত্রে তারা ব্রাজিল না যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন সেটি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকার বা এজেন্সির কি কোনো সতর্কতা বা কৌশল ছিল? এই যে একেকজন ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা খরচ করে শূন্য হাতে ফিরলেন তার দায় কার? এভাবে বৈধভাবে অবৈধ হওয়ার পথে ছেড়ে দেওয়া ভীষণ দুর্ভাগ্যজনক এবং দায়িত্বহীনতা। যে এজেন্সি তাদের পাঠিয়েছিল এবং যারা এই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ছিল তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। কয়েক হাজার কর্মী এভাবে ব্রাজিল গেছে। নতুন করে ব্রাজিলে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার আগে সরকারের সতর্ক হতে হবে।

ফেরত আসা এই কর্মীদের মধ্যে ২৬ জনই নোয়াখালীর। এছাড়া কুমিল্লা, সিলেট, ফেনী, ও লক্ষ্মীপুরের দুজন করে এবং চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ এবং নরসিংদীর একজন করে রয়েছেন। এর আগে চলতি বছরে ১৮৭ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন।

দেশে ফেরত আসা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানিয়েছে, এই ৩৯ জনের মধ্যে অন্তত ৩৪ জন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ বুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিল গিয়েছিলেন। এরপর সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আর বাকি পাঁচজনের মধ্যে দুইজন সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে যান আর তিনজন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। এরপর এই ৩৯ জন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য আবেদন করলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বলেন, এই যে সরকারের পক্ষ থেকে ব্রাজিলে বৈধভাবে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হলো সেক্ষেত্রে তারা ব্রাজিল না যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন সেটি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকার বা এজেন্সির কি কোনো সতর্কতা বা কৌশল ছিল? এই যে একেকজন ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা খরচ করে শূন্য হাতে ফিরলেন তার দায় কার? এভাবে বৈধভাবে অবৈধ হওয়ার পথে ছেড়ে দেওয়া ভীষণ দুর্ভাগ্যজনক এবং দায়িত্বহীনতা। যে এজেন্সি তাদের পাঠিয়েছিল এবং যারা এই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ছিল তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। কয়েক হাজার কর্মী এভাবে ব্রাজিল গেছে। নতুন করে ব্রাজিলে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার আগে সরকারের সতর্ক হতে হবে।

মালয়েশিয়া ২০২২ সালে ৩৫০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে কুয়েতহাতকড়া-শেকল পরিয়ে আরও ৩০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র।

ফেরত আসা এসব বাংলাদেশি ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, এর আগে এ বছরের বিভিন্ন সময়ে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের হাতে হাতকড়া, পায়ে শেকল বেঁধে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হলেও শুক্রবার ফেরত আসা বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে সেটি হয়নি।

চলতি বছরের ৮ জুন একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৪২ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হয়। এর আগে ৬ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত একাধিক ফ্লাইটে আরও অন্তত ৩৪ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। ২০২৪ সালের শুরু থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো বাংলাদেশির সংখ্যা ২২০ ছাড়িয়েছে।

মার্কিন আইন অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী অভিবাসীদের আদালতের রায় বা প্রশাসনিক আদেশে দেশে ফেরত পাঠানো যায়। আশ্রয়ের আবেদন ব্যর্থ হলে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ (আইসিই) তাদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ:

তফসিলের পরও সরকার হিসেবে কাজ করবে উপদেষ্টা পরিষদ
যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে যাবেন খালেদা জিয়া
দিল্লিতে পুতিন; নামতেই করমর্দন–আলিঙ্গন মোদির
ডিএমপিতে বড় রদবদল: একযোগে ৫০ থানার ওসি বদলি
সচিবালয় ও ‘যমুনা’ ঘিরে সভা–সমাবেশ নিষিদ্ধ
নির্বাচনে সহযোগিতার বিষয়ে জানালো জাতিসংঘ
জ্বালানি ও সয়াবিন তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি বাসদের
এসএসএফ নিরাপত্তা শুধু খালেদা জিয়ার
বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় দুটি অধ্যাদেশ অনুমোদন
অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ বৈধ: আপিল বিভাগ
খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হচ্ছে
পুলিশকে নির্বাচনে নিরপেক্ষভাবে কাজের নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্ট
রাঙামাটিতে পাহাড় কাটায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় বাড়ল
খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে চীনের রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রণালয়ের হুঁশিয়ারির পরও প্রাথমিক শিক্ষকদের কমপ্লিট শাটডাউন অব্যাহত
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় চীনের চিকিৎসক দল এভারকেয়ারে
গুম: শেখ হাসিনা ও সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন
বাংলাদেশের জরুরি ত্রাণ শ্রীলঙ্কায়
বিডিআর হত্যাকাণ্ড: তদন্ত কমিশনের মেয়াদ বাড়ল ৭ দিন