শীতে সর্দি-কাশি বেড়েছে? ৩ ঘরোয়া রুটিনেই মিলবে ইমিউনিটি বুস্ট
জীবনযাপন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫:৫৯, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
ক্রমশ নামছে তাপমাত্রার পারদ। শীত জাঁকিয়ে বসতেই বাড়ছে সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নানা মৌসুমি সংক্রমণের ঝুঁকি। বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম, তাদের জন্য এই মৌসুমে প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জটিল ডায়েট বা ব্যয়বহুল সাপ্লিমেন্ট নয়—দৈনন্দিন রুটিনে কয়েকটি ঘরোয়া অভ্যাসই শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করতে পারে।
১. বোন ব্রথ বা ভেজিটেবল ব্রথ—প্রাকৃতিক ‘লিকুইড গোল্ড’
শীতকালে ইমিউনিটি বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প হিসেবে বোন ব্রথ এখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়। খনিজ, কোলাজেন ও অ্যামিনো অ্যাসিডসমৃদ্ধ এই উষ্ণ স্যুপ গাট লাইনিং শক্তিশালী করে, হজমশক্তি উন্নত করে এবং শরীরকে দেয় প্রয়োজনীয় হাইড্রেশন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে এক বাটি গরম ব্রথ নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা চোখে পড়ার মতো বাড়ে।
২. সকালে গরম জলে লেবু—হাইড্রেশন ও রোগ প্রতিরোধে দুর্দান্ত
রাতভর ঘুমের পর শরীর যখন শুষ্ক হয়ে পড়ে, তখন সকালে লেবু-গরম জল দ্রুত হাইড্রেশন ফিরিয়ে আনে। লেবুর ভিটামিন–সি শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করে, লিভারকে ডিটক্সিফাই করে এবং শীতকালীন অলসতা ও ভারীভাব কমাতে সাহায্য করে।
৩. মধু ও রসুন—শীতের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ঢাল
রসুনের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান বিভিন্ন সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর। অন্যদিকে মধুর খনিজ ও গলার সুরক্ষাকারী গুণ শীতকালীন কাশি-সর্দি কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মধুর সঙ্গে কাঁচা রসুন মিশিয়ে খেলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমণ প্রতিরোধে আরও সক্ষম হয়।
শুষ্ক বাতাসে ভাইরাস দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকতে পারে—ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করা বা ঘরের এক কোণে এক বাটি জল রেখে বাতাস আর্দ্র রাখা অত্যন্ত উপকারী। এতে নাসারন্ধ্রের শুষ্কতা কমে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকে।
