শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

| ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

সাত ছেলে–মেয়ে নয়, সম্পত্তি কাকে দিয়ে গেলেন ধর্মেন্দ্র?

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১:০২, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

সাত ছেলে–মেয়ে নয়, সম্পত্তি কাকে দিয়ে গেলেন ধর্মেন্দ্র?

ধর্মেন্দ্র কোটি কোটি টাকার পৈতৃক সম্পত্তি তিনি রেখে গেছেন—তার সাত সন্তানকে নয়, বরং তার ভাইপোদের হাতে। ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্র আর নেই—তার মৃত্যুর পর যেমন আবেগাপ্লুত হয়েছে গোটা ভারত, তেমনই আলোচনার ঝড় উঠেছে তার বিশাল সম্পদের ভাগাভাগি নিয়ে। তবে এবার সামনে এল এমন এক তথ্য, যা আরও বেশি বিস্মিত করছে ভক্তদের। কারণ, কোটি কোটি টাকার পৈতৃক সম্পত্তি তিনি রেখে গেছেন—তার সাত সন্তানকে নয়, বরং তার ভাইপোদের হাতে।

ধর্মেন্দ্রর পরিবার বড়—সানি দেওল, ববি দেওল, অজেতা, বিজয়েতা, এশা ও অহনা দেওল—সন্তানসংখ্যা সাত। কিন্তু তাদের কাউকেই দেননি পাঞ্জাবের লুধিয়ানার ডাঙ্গো গ্রামে অবস্থিত তার পৈতৃক বাড়ি ও জমির মালিকানা।

মুম্বাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আজকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২.৫ একর জমি ও বাড়িটি মিলিয়ে সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি।

এ সম্পত্তিই তিনি তার কাকার নাতিদের—অর্থাৎ ভাইপোদের নামে লিখে দিয়ে যান। জীবদ্দশায় তিনি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মালিকানা হস্তান্তর করেন।

ধর্মেন্দ্রর জন্ম নসরলিতে হলেও তার শৈশবের অনেকটা সময় কেটেছে লুধিয়ানার ডাঙ্গো গ্রামে। সেই মাটির প্রতি তার যে টান, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন বলে জানায় স্থানীয়রা।

২০১৩ সালে একটি ছবির শুটিংয়ে গ্রামে এসে তিনি গাড়ি থেকে নেমে পৈতৃক ভিটের মাটি স্পর্শ করে কপালে ঠেকান—এ দৃশ্য আজও মনে রেখেছেন গ্রামবাসীরা।

বছরের পর বছর তার কাকার বংশধররাই বাড়িটি আগলে রেখেছেন। তাদের এই দায়বদ্ধতার প্রতি কৃতজ্ঞ হয়েই ধর্মেন্দ্র শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেন, পৈতৃক ভিটে তাদেরই হাতে তুলে দেবেন।

ধর্মেন্দ্রর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বুটা সিং, যিনি লুধিয়ানার একটি কাপড়ের মিলে কাজ করেন, বলেন—“সম্পত্তির দাম তার কাছে কোনও বিষয়ই ছিল না। ওটা ছিল তাঁর বাবার স্মৃতি, তার শিকড়ের টান।”

গ্রামের মানুষজনও বলেন, ধর্মেন্দ্র এই বাড়িকে কখনও সম্পদ হিসেবে দেখেননি। তাদের মতে, এই বাড়ি তাঁর কাছে ছিল আত্মার জায়গা।”

কেন সন্তানদের না দিয়ে ভাইপোদের দিলেন?

ধর্মেন্দ্রর যুক্তি ছিল সরল—যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাড়িটি রক্ষা করেছেন, এই ভিটেটি তাদের প্রাপ্যই।

তার বাবার দেওয়া দায়িত্বও তিনি শেষ বয়স পর্যন্ত সম্মান করতে চেয়েছেন।

তার অস্তিত্ব, পরিবার ও জন্মভূমির প্রতি এই নিঃস্বার্থ শ্রদ্ধাই তাকে করে তুলেছে আরও মহৎ—ঠিক যেভাবে তাকে দেখেছে বলিউড, ভক্তরা এবং তাঁর জন্মগ্রাম।

সম্পর্কিত বিষয়:

আরও পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ:

যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে যাবেন খালেদা জিয়া
দিল্লিতে পুতিন; নামতেই করমর্দন–আলিঙ্গন মোদির
ডিএমপিতে বড় রদবদল: একযোগে ৫০ থানার ওসি বদলি
সচিবালয় ও ‘যমুনা’ ঘিরে সভা–সমাবেশ নিষিদ্ধ
নির্বাচনে সহযোগিতার বিষয়ে জানালো জাতিসংঘ
জ্বালানি ও সয়াবিন তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি বাসদের
এসএসএফ নিরাপত্তা শুধু খালেদা জিয়ার
বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় দুটি অধ্যাদেশ অনুমোদন
অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ বৈধ: আপিল বিভাগ
খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়া হচ্ছে
পুলিশকে নির্বাচনে নিরপেক্ষভাবে কাজের নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্ট
রাঙামাটিতে পাহাড় কাটায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় বাড়ল
খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে চীনের রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রণালয়ের হুঁশিয়ারির পরও প্রাথমিক শিক্ষকদের কমপ্লিট শাটডাউন অব্যাহত
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় চীনের চিকিৎসক দল এভারকেয়ারে
গুম: শেখ হাসিনা ও সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন
বাংলাদেশের জরুরি ত্রাণ শ্রীলঙ্কায়
বিডিআর হত্যাকাণ্ড: তদন্ত কমিশনের মেয়াদ বাড়ল ৭ দিন
সয়াবিন তেলের দাম বাড়ার বিষয় জানে না মন্ত্রণালয়: বাণিজ্য উপদেষ্টা