শতবর্ষের আগে স্মৃতিচারণে ডিক ভ্যান ডাইক
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮:৩০, ২৮ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২০:৩৪, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ডিক ভ্যান ডাইক। ছবি: সংগৃহীত
হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ডিক ভ্যান ডাইক আগামী ডিসেম্বরেই পা রাখছেন ১০০ বছরে। শতবর্ষ উদযাপনের আগমুহূর্তে তিনি ফিরে গেলেন তার সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র— মেরি পপিন্স–এর বার্ট, চিমনি সুইপার হিসেবে সেই রূপালী পর্দার দিনগুলোতে। সম্প্রতি পিপল ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন অজস্র স্মৃতি, গান, হাসি আর শুটিংয়ের মজার মুহূর্ত।
ডিক ভ্যান ডাইক জানান, ছবিটির প্রথম ফ্যান্টাসি দৃশ্যই তার সবচেয়ে প্রিয়। সেই গানটুকু মনে করেই একঝটকায় গুনগুনিয়ে উঠলেন—“কী অপূর্ব দিন আজ! … মনে হচ্ছে যেন আমি উড়ে যেতে পারি।”
তার ভাষায়, মিউজিক আর নাচ মিলে ওই দৃশ্য ছিল নিখাদ আনন্দ।
সহ-অভিনেত্রী জুলি অ্যান্ড্রুজ সম্পর্কে ডাইক বলেন, তার অসাধারণ সোপ্রানো কণ্ঠ যেকোনো সংগীতশিল্পীকেই চ্যালেঞ্জে ফেলে দিতে পারে। মজা করেই স্বীকার করলেন, “আমি তো আসলে গায়কই নই। জুলি নোটের ওপরে গেয়ে যেত, ফলে তাল মেলাতে আমার বেশ বেগ পেতে হতো। রেকর্ডিংয়ে কতবার যে টেক দিতে হয়েছে, হিসাব নেই!”
তবুও দু’জনের সম্পর্ক নিয়ে ডাইক অত্যন্ত আবেগী। তিনি বলেন,“আমাদের মধ্যে কখনো মনোমালিন্য হয়নি। একসঙ্গে কাজ করাটা ছিল দারুণ আনন্দের। মিউজিক্যাল করতে গেলে একঘেয়েমি বলে কিছু নেই— প্রতিটা মুহূর্তই উপভোগ্য।”
মেরি পপিন্স–এর শিশু অভিনেতা ম্যাথিউ গারবারকে আজও স্নেহভরে মনে করেন ডাইক। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে হাসতে হাসতে জানালেন—শুটিং সেটে আলো সেট হওয়ার অপেক্ষায় যখন দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো, ছোট্ট গারবার বিরক্ত হয়ে তাকে মজা করে পেছন থেকে কামড় দিত!
হাসতে হাসতে তিনি বলেন,“দুষ্টুমি করেই আমার পিছু ছাড়ত না,” ।
ডিক ভ্যান ডাইকের নতুন বই “হানড্রেড রুলস ফর লিভিং হানড্রেড” প্রকাশিত হয়েছে ১৪ নভেম্বর। নিজের দীর্ঘ, সুস্থ ও প্রাণবন্ত জীবনের অভিজ্ঞতা, দর্শন আর আশাবাদী মনোভাবই সেখানে উঠে এসেছে।
