ধর্মেন্দ্রর গোপন শেষকৃত্যে ক্ষোভ ভক্তদের
সানি-ববির সিনেমা বয়কটের ডাক
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ১০:২৭, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বলিউড ও কোটি ভক্ত। ২৪ নভেম্বর সকালে ৮৯ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কিন্তু এই মহাতারকার শেষযাত্রা ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। পরিবারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই জুহুর বাসভবন থেকে তড়িঘড়ি করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মুম্বাইয়ের পবনহংস শ্মশানে। গোপনে সম্পন্ন হয় শেষকৃত্য। আর এই সিদ্ধান্তেই ক্ষুব্ধ তার অগণিত অনুরাগী।
শ্মশানের বাইরে ভিড় জমানো বহু ভক্ত কান্নায় ভেঙে পড়েন, বলেন— “সানি দেওল আর ববি দেওলের ছবি দেখা বন্ধ করুন। ওরা আমাদের ধর্মেন্দ্রজিকে একঘরে করে দিল।” কারও অভিযোগ, শ্রীদেবীর মতো একজন জননন্দিত তারকার মতো শেষ দর্শনের সুযোগ কেন দেওয়া হলো না? একজন বয়স্ক ভক্তের কথায়— “ওর শেষযাত্রা মহাসমারোহে হওয়া উচিত ছিল। আমরা অন্তত শেষবার তাকে দেখতে চেয়েছিলাম।”
হিন্দি সিনেমার ‘হি-ম্যান’ খ্যাত ধর্মেন্দ্র ছয় থেকে নয় দশক পর্যন্ত ছিলেন সর্বাধিক জনপ্রিয় নায়ক। শোলে, চুপকে চুপকে, ইয়াদোঁ কি বারাত, রাজা জানি— একের পর এক হিট ছবিতে তিনি গড়ে তুলেছিলেন শক্তিশালী, রোমান্টিক ও মানবিক নায়কের এক অমর প্রতিচ্ছবি। তার সুদর্শন চেহারা ও সহজাত অভিনয় তাঁকে বানিয়েছিল গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের প্রিয় মুখ। তাই তাঁর বিদায় এত নীরব হওয়ায় ব্যথিত ভক্তমহল মনে করছে, বলিউড এমন এক আইকনকে প্রাপ্য মর্যাদায় বিদায় জানাতে পারেনি।
পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, ধর্মেন্দ্রর দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে শেষ সময়টা ছিল হাসপাতালে। সানি দেওল এবং ববি দেওল শেষ মুহূর্তে বাবার পাশে ছিলেন। তবে তাদের গোপনীয়তার সিদ্ধান্তে ভক্তদের মন ভাঙলেও, শোকস্তব্ধ দুই পুত্র হয়তো সময়মতো এ সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করবেন— এমনটাই আশা করছেন অনুরাগীরা।
