বিদ্যার চরিত্রে মানানসই নন, সমালোচনায় স্বস্তিকার জবাব
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯:৫৮, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত নতুন ধারাবাহিক ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’–র মাধ্যমে ছোটপর্দায় ফিরেছেন। বহু বছর পর টেলিভিশনে তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ যেমন তুঙ্গে, তেমনি সমালোচনার ঢেউও উঁকি দিচ্ছে। নেটমাধ্যমে এক দর্শক মন্তব্য করেন—তন্বী স্বস্তিকা নাকি বিদ্যার মতো প্রফেসরের চরিত্রে মানানসই নন। সেই মন্তব্য চোখ এড়ালেও অপরিচিত নয় অভিনেত্রীর কাছে। তবে জবাবে রাগ নয়, বরং কৃতজ্ঞতা।
ভারতীয় গণমাধ্যম আজকাল ডট ইন–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা বলেন,“নেটমাধ্যমে ট্রোল বা কটাক্ষ আমি দেখি না। এলেও মুছে দিই। কিন্তু কেউ যদি বলেন, আমায় চরিত্রে মানাচ্ছে না—তার মানে তিনি ধারাবাহিকটা দেখছেন। তাই তার মতামতকেও গুরুত্ব দিই। দর্শকের ভালো লাগা যেমন মাথায় রাখি, খারাপ লাগাকেও অবহেলা করি না।”
ব্লুজ প্রোডাকশনের ব্যানারে তৈরি এই ধারাবাহিক পরিচালনা করছেন ‘জগদ্ধাত্রী’খ্যাত সুকমল নাথ। প্রযোজনা করছেন স্নেহাশিষ চক্রবর্তী ও রূপসা চক্রবর্তী। বহু বছর আগে স্বস্তিকার নায়িকা হয়ে ওঠার শুরু হয়েছিল ঠিক এই প্রযোজনা সংস্থার হাত ধরেই। তাই তাঁর কাছে এই ফেরা যেন ‘ঘর ওয়াপসি’।
স্বস্তিকা বলেন, “ধারাবাহিকে ফেরা মানে পুরনো রুটিনে ফেরা। নিয়মের জীবনটা আমার ভালো লাগে। স্নেহাশিষদা হাত দিলে সেটা সোনা—বাংলার দর্শককে তিনি এতটাই বোঝেন যে বছরের পর বছর হিট ধারাবাহিক দিয়েছেন।”
প্রযোজনা দলের তথ্যমতে, এটি স্নেহাশিষের ৪৯তম ধারাবাহিক।
টিআরপি প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর সোজাসাপটা মত, “নিজের কাজটা ভালো করলেই তার ফল পাওয়া যায়। তবে ভালো টিআরপি আমাদের কাছে অ্যাওয়ার্ডের মতো—দেখলেই বুঝি দর্শক আমাদের ভালোবাসছেন। প্রচারের চেয়ে আমরা কাজেই বিশ্বাসী।”
শিল্পে এক দশকের বেশি সময় কাটালেও স্বস্তিকা বলেন,“কাজের সময় নিজেকে সবসময় নবাগত মনে করি। সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। এবারও তেমনই। বাকিটা সময় বলবে।”
ছোটপর্দায় তার প্রত্যাবর্তনে দর্শক নতুন করে খুঁজে পাচ্ছেন পরিচিত মুখকে—আর সমালোচনা? তার উত্তরও তিনি দিচ্ছেন স্বভাবসুলভ সংযম আর আত্মবিশ্বাসে।
