শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

| ১৫ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২

দিলীপ কুমারকে নিজের ভাই ভাবতেন ধর্মেন্দ্র! 

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২:৪১, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

দিলীপ কুমারকে নিজের ভাই ভাবতেন ধর্মেন্দ্র! 

ধর্মেন্দ্র দেওল ও দীলিপ কুমার

বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্র ছিলেন দিলীপ কুমারের মৃত্যুতে শোকাহত হওয়ার আগেই আজীবন তার নিবেদিতভক্ত। তবে খুব কম মানুষই জানেন—তারুণ্যের শুরুর দিনে এক অদ্ভুত সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তিনি। ১৯৫২ সালে কলেজ–পড়ুয়া অবস্থায় লুধিয়ানার তরুণ ধর্মেন্দ্র চট করে বম্বে (বর্তমান মুম্বাই) চলে যান শুধু তার পর্দার দেবতা দিলীপ কুমারকে একবার দেখবেন বলে।

এই চমকপ্রদ ঘটনা উঠে এসেছে দিলীপ কুমারের আত্মজীবনী The Substance And The Shadow–এর ‘Reminiscences’ অধ্যায়ে, যেখানে নিজের মুখেই পুরো গল্প বলেছেন ধর্মেন্দ্র।

ধর্মেন্দ্র লিখেছেন, “‘শহীদ’ ছবিতে দিলীপ সাহেবের অভিনয় আমাকে এমনভাবে স্পর্শ করেছিল যে মনে হতো আমরা যেন ভাই। কেন যে এমন লাগত, আজও বুঝি না।”

১৯৫২ সালে বম্বেতে পৌঁছে পরদিনই পালি মালার বাড়িতে চলে যান ধর্মেন্দ্র। আশ্চর্যজনকভাবে গেটে কেউ বাঁধা দেয়নি। তিনিও ভাবেননি বড় কোনো আনুষ্ঠানিকতা প্রয়োজন। সোজা মূল দরজা পেরিয়ে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উঠে যান ওপরতলার ঘরের সামনে। সেখানে তখন ঘুমোচ্ছেন এক যুবক—ফর্সা, সুদর্শন, সরু গড়ন।

হঠাৎই ঘুম ভেঙে যায় দিলীপ কুমারের। সামনে দাঁড়িয়ে অপরিচিত এক তরুণকে দেখে তিনি খানিক হাঁক দেন। ভয় পেয়ে ধর্মেন্দ্র দৌড়ে নেমে যান সিঁড়ি বেয়ে, বেরিয়ে যান বাড়ির বাইরে। পরে এক ক্যাফেতে বসে ঠাণ্ডা লস্যি খেতে খেতে নিজের বোকামি বুঝতে পারেন।

ধর্মেন্দ্র মনে করিয়ে দেন, পঞ্জাবের গ্রামাঞ্চলে ঘরবাড়ির দরজা সারাক্ষণ খোলা—চাইলে যে কেউ ঢুকে গল্প করতে পারে। সেই আন্তরিকতা থেকেই তিনি ধরে নিয়েছিলেন, প্রিয় নায়কের বাড়িতেও হয়তো সব দরজা খোলা। পরে বুঝেছিলেন—এটা তারুণ্যের সরল ভুল।

তিনি লেখেন, “বম্বে হলো বড় শহর; আর এই বাড়িটি ছিল দিলীপ কুমারের মতো সুপারস্টারের। আমি ভেবেছিলাম পরিচয়ের দরকার নেই—এটাই আমার ভুল।”

এই ঘটনার ছয় বছর পর ১৯৫৮ সালে ধর্মেন্দ্র ফের আসেন বম্বে—তখন ইউনাইটেড প্রোডিউসার্স ও ফিল্মফেয়ার ট্যালেন্ট কনটেস্টে অংশ নিতে। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর তারকাখ্যাতির যাত্রা।

দিলীপ কুমার ও ধর্মেন্দ্রর বহু দশকের বন্ধুত্ব পরে বলিউডে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। কিন্তু ১৯৫২ সালের এই ঘটনা তাঁদের সম্পর্কের সবচেয়ে অকৃত্রিম ও মানবিক স্মৃতি হয়ে আছে।

সম্পর্কিত বিষয়:

আরও পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ:

খালেদা জিয়ার অবস্থা বিদেশ নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয় : ফখরুল
তারেক রহমানের ফেরা নিয়ে সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিব
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাল থেকে অনলাইন ক্লাস শুরু
ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন দিতে ব্যর্থ রাজনীতি: জামায়াত আমির
অবস্থার উন্নতি হলে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি
ই-রিটার্নে রেকর্ড: ২০ লাখের বেশি রিটার্ন দাখিল
খেলাপি ঋণ সংকট কাটাতে ১০ বছর লাগবে: গভর্নর
ফ্লাই করার মতো অবস্থায় নেই খালেদা জিয়া—এভারকেয়ার থেকে জানালেন মান্না
এভারকেয়ার হাসপাতালে ভিড় না করার অনুরোধ বিএনপির
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
খালেদা জিয়াকে সিঙ্গাপুর বা ইউরোপে নিতে এয়ারঅ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত
খালেদা জিয়াকে নিয়ে মুশফিকুলের আবেগঘণ স্মৃতিচারণ ‘আমার ব্যক্তিগত ঋণ’
‘লুটপাটকারীদের শাস্তি দিন, কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বেকারত্ব বাড়াবেন না’ — মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
খালেদা জিয়ার অবনতিশীল শারীরিক অবস্থায় রাষ্ট্রপতির গভীর উদ্বেগ
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় উপদেষ্টার পরিষদের সভায় দোয়া
তফসিল কবে জানালেন সিইসি নাসির উদ্দিন
দুটি বিতর্কিত অভিযানের পর র‍্যাব-১৫–এ ‘গণবদলি’
বেগম জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনন্য অনুপ্রেরণা: নাহিদ ইসলামের বিবৃতি
দেশে ফেরার বিষয়ে কথা বললেন তারেক রহমান