ফালতু অভিযোগ, চুক্তি অনুযায়ীই কাজ করেছি : তানজিন তিশা
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২০:১৩, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ছবি: ফেসবুক
চলচ্চিত্রে নতুন যাত্রা শুরু করতেই একের পর এক বিতর্কে জড়াচ্ছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। অনলাইনভিত্তিক দু’টি ফ্যাশন হাউজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ভারতীয় সিনেমা ‘ভালোবাসার মরশুম’–এর প্রযোজক শরীফ খানের কাছ থেকে এসেছে নতুন অভিযোগ। তার দাবি—তিশা প্রায় ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়েও কাজ না করে অর্থ ফেরত দিচ্ছেন না।
প্রযোজকের জানান, এম. এন. রাজ পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য তিশা চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। অগ্রিম হিসেবে প্রথমে ৩০ হাজার রুপি এবং পরে তিশার বোনের অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশি ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা পাঠানো হয়। কিন্তু পরে অভিনেত্রী নানাভাবে ‘গড়িমসিতে’ ফেলেন এবং অসহযোগিতার কারণে তাকে প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাদ পড়ার পরও তিনি অগ্রিম অর্থ ফেরত দেননি বলেই দাবি শরীফ খানের।
অভিযোগকে ‘ফালতু’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তানজিন তিশা। তিনি বলেন—“আমাকে চুক্তির সময় এক-তৃতীয়াংশ পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল। ভিসার জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে দেড় মাস কোনো কাজ করিনি। চুক্তিতে পরিষ্কার উল্লেখ আছে—শুটিং ক্যানসেল হলে এ অর্থ ফেরত দিতে হবে না।”
তিনি আরও জানান, প্রযোজকের আচরণ ছিল সম্পূর্ণ অপেশাদার।মধ্যরাতে ফোন করে কথা বলতে চাওয়া—এটা কোনোভাবেই পেশাদার আচরণ না। আমি দিনে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। তাছাড়া শরীফ নামে যিনি ফোন করেছেন, তিনি সিনেমার প্রযোজকও নন!
বাকি বিষয়ে মন্তব্য করতে অনিচ্ছুক তিশা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তার আইনজীবী কথা বলবেন।
তিশার আইনজীবী জসীম উদ্দিন অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “তিশা চুক্তি অনুযায়ী সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নির্ধারিত শিডিউলে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু ডিরেক্টর ভিসা ও শুটিং প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে চুক্তির ধারামতে ডিরেক্টরের ডিফল্ট স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। তিশার কোনো আর্টিস্ট ডিফল্ট হয়নি; বরং শিডিউল ভেস্তে যাওয়ায় তিশাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।”
