মাদ্রাসায় ১ বছর পড়েছেন কেয়া পায়েল
সমাজকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:২৫, ৭ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ০০:০৩, ৮ নভেম্বর ২০২৫
টেলিভিশন নাটকের জনপ্রিয় মুখ কেয়া পায়েল। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে টেলিভিশন নাটকের জনপ্রিয় মুখ কেয়া পায়েল। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। সেখানে শৈশব-কৈশোর নিয়ে মধুর স্মৃতিচারণ করেন। শৈশবের সবচেয়ে সুখকর স্মৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন এক বছর আবাসিক নারী মাদ্রাসায় পড়ার বিষয়টি।
কেয়া জানান, ছোটবেলায় নিজের ইচ্ছায় তিনি মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং সেখানে প্রায় এক বছর পড়াশোনা করেন।
কেয়া বলেন, ‘সাভারে আমার বাসার পাশে সামিরা, সাদিয়া নামে দুজন বন্ধু ছিল। ওরা মাদ্রাসায় পড়বে। আমিও আব্বু-আম্মুকে বললাম, আমি মাদ্রাসায় পড়তে চাই। তখন আব্বু-আম্মু বলেছিলেন, এটা তো খুবই ভালো কথা। আমরা গিয়ে তোমাকে ভর্তি করে দিয়ে আসব। তখন আমার বয়স মাত্র সাত-আট বছর হবে।’
কেয়া যোগ করেন, ‘আমি তখন স্কুলে ভর্তি হয়েছি। বাড়িতে নিজেই মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার কথা বলেছিলাম। আব্বু-আম্মু বলেন, আচ্ছা ঠিক আছে, একদিন সময় দাও। আমরা নিয়ে গিয়ে তোমাকে ভর্তি করে দিয়ে আসব। ওরা (সামিরা-সাদিয়া) তখন মাদ্রাসায় আবাসিক থাকত। তখন আমার মনে হচ্ছিল, একদিন অপেক্ষা করব, তার থেকে ভালো আমিই চলে যাই। আমি বাড়ির কাউকে না বলে হেঁটেই মাদ্রাসায় চলে গিয়েছিলাম।’
কেয়া আরও বলেন, ‘মাদ্রাসায় গিয়ে আমি বলেছিলাম, আমাকে আপনারা রেখে দিন। এখানে আমার বন্ধুরা আছে। আব্বু-আম্মু আগামীকাল আসবেন। আজকে একটু থাকি। ওনারা কালকে এসে আমাকে ভর্তি করবেন। তখন ওনারা (মাদ্রাসার শিক্ষক) বলেন, এই মেয়ে কী বলে! ওই মাদ্রাসায় প্রায় এক বছর পড়েছিলাম।’
মাদ্রাসায় পড়ার সময়টাকে নিজের জীবনের অনন্য সময় বলে উল্লেখ করেন কেয়া। তিনি বলেন, ‘শৈশব থেকেই আমি খুব লক্ষ্মী ছিলাম। ওখানে সবাই আমাকে খুব পছন্দ করতেন। আমি গজল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম। আমার খুব ভালো লাগত। আমার কাছে মনে হয়, তখন জীবনের সবচেয়ে ভালো মুহূর্ত পার করেছি।’
