পাঁচ দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারীদের মিছিল-সমাবেশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১:০৯, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২১:৩৭, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারীদের সমাবেশ। ছবি: সমাজকাল
নতুন পে-স্কেলসহ পাঁচ দফা দাবি আদায়ে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরকারি কর্মচারীরা। ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় বেতন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি এবং আগামী বছরের প্রথম দিন থেকেই কার্যকর করা না হলে বৃহত্তর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের অন্য দাবিগুলো হচ্ছে—টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড শতভাগ পেনশন প্রথা পুনর্বহালসহ সচিবালয়ের মতো এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন, জাতীয় সার্ভিস কমিশন গঠন, আউটসোর্সিং নিয়োগ প্রথা বাতিল পূর্বক শূন্যপদে সরাসরি নিয়োগ, ন্যায্যমূল্যের মানসম্মত রেশন, ব্লকপোস্টগুলোতে পদোন্নতি এবং আইএলও সনদের ৮৭ ও ৯৮ ধারা অনুসারে সরকারি দপ্তরে ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার প্রদান।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে জেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের শহরের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সমাবেশ করে।
সংগঠনের জেলা সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী হাফিজুল ইসলাম নাছুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আরশাদুল ইসলাম, সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন সফিক ও আবু কাউছার, কালেক্টরেট নন গেজেট কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির সভাপতি কামরুল ইসলাম ভূইয়া, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. আশরাফ আহমেদ, সমাজসেবা কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সমিতির সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্মচারী সমিতির সভাপতি আমির হামজা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. মনির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর কর্মচারী সমিতির সভাপতি ও জেলা কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি হাজী মো. আব্দুল্লাহ, সদর হাসপাতাল কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্দুল মোমেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারী সভাপতি মো. ইসমাইল, ১৭-২০ গ্রেড কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ কর্মচারীরা ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে জানিয়ে দাবিগুলো পূরণ করে তাদের রক্ষার আহ্বান জানান বক্তারা।
