নূরকে নয়, তাকেই দল মনোনয়ন দেবে : হাসান মামুন
পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭:৩৪, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুন। ছবি: ফেসবুক
দলীয় প্রতীক ধানের শীষ না পেলেও পটুয়াখালী-৩ আসন (গলাচিপা-দশমিনা) থেকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে গলাচিপা-দশমিনায় দলের নেতাকর্মীদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
হাসান আল মামুন বলেন, আমি এখনও বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী। আমি বিশ্বাস করি বিএনপি আমার দীর্ঘ ত্যাগ ও হামলা-মামলা বিবেচনায় অবশ্যই আমাকে মনোনয়ন দেবে। আমি মনে করি, সাধারণ মানুষ ও দলের নেতাকর্মীদের চাওয়া অনুযায়ী দল পটুয়াখালী-৩ আসনে প্রার্থী দেবে।
তিনি বলেন, ৪৬ বছর পর আসনটি ধানের শীষের হওয়া সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ অঞ্চলের মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। আমার বিশ্বাস ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে আমাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।
বিএনপি ২৩৭ আসনে দলের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। যে ৬৩টি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়নি, তার মধ্যে গলাচিপা-দশমিনা নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-৩ আসনটিও রয়েছে। এই আসনে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী নাগরিক অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। বিএনপি তাকে আসনটি ছেড়ে দিতে পারে-এমন গুঞ্জন রয়েছে।
২০১৮ সালের নির্বাচনে এই আসনে মনোনয়ন পাওয়ার কথা ছিল হাসান মামুনের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোলাম মাওলা রনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ নিয়ে ভোট করেন। সেবার ভাগ্য বিড়ম্বনার শিকার হন এই আসনে বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে জনপ্রিয় নেতা হাসান মামুন।তবে এবার স্থানীয় বিএনপি হাসান মামুনকে নিয়ে একাট্টা। তারা বলছেন, ৪৬ বছর ধরে এই আসনটি বিএনপির হাতছাড়া। এবার কিছুতেই অন্য কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
দশমিনা-গলাচিপায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ২৬১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৫৪ ও ১ লাখ ৭৫ হাজার ১০৫ জন নারী ভোটার রয়েছেন। এছাড়া আসনটিতে দুজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন।
পটুয়াখালী-৩ আসনে এখন পর্যন্ত প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে আসন ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী থেকে এ আসনে অধ্যাপক মুহাম্মদ শাহ-আলমকে প্রার্থী করা হয়েছে। একইভাবে হাফেজ মাওলানা মুফতী আবু বকর সিদ্দীক নামে একজনকে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন।
