জর্জিয়ায় তুরস্কের সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২০ সেনা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭:১৪, ১২ নভেম্বর ২০২৫
জর্জিয়ার সিঘনাঘি পৌরসভায় আজারবাইজান সীমান্তের কাছে ১২ নভেম্বর, ২০২৫ তুর্কি সি-১৩০ সামরিক কার্গো বিমান দুর্ঘটনার স্থানে তদন্ত দলের সদস্যরা কাজ করছেন।
তুরস্কের সামরিক বাহিনীর একটি সি–১৩০ মডেলের কার্গো বিমান জর্জিয়ায় বিধ্বস্ত হয়ে ২০ সেনা নিহত হয়েছেন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার (১২ নভেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মঙ্গলবার আজারবাইজানের গাঞ্জা শহর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর বিমানটি জর্জিয়ার সিঘনাঘি অঞ্চলে আছড়ে পড়ে।
জর্জিয়ার স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ৩০ মিনিটে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তুর্কি ও জর্জিয়ান উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিমানের ধ্বংসাবশেষ বিস্তীর্ণ তৃণভূমিতে ছড়িয়ে আছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাঝআকাশে বিমানটি ভেঙে পড়ে আগুন ধরে যায় এবং তা ঘূর্ণির মতো নিচে নেমে আসে।
এটি ২০২০ সালের পর তুরস্কের সবচেয়ে ভয়াবহ সামরিক বিমান দুর্ঘটনা বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। জর্জিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে কোনো বিপদ সংকেত পাঠানো হয়নি।
তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার দুর্ঘটনার পর জর্জিয়া ও আজারবাইজানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং যৌথ তদন্তে সম্মত হয়েছেন।
এ ঘটনায় আজারবাইজান ও জর্জিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরা শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুত্তে এবং তুরস্কে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাকও গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
সি–১৩০ হারকিউলিস বিমানটি চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা কার্গো ও সেনা পরিবহনের পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রে আক্রমণ বা রিকনেসান্স মিশনে ব্যবহার করা হয়। এটি লকহিড মার্টিন কোম্পানির তৈরি, যারা ইতিমধ্যে তদন্তে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
